মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভাষা ও সাংস্কৃতি

 

ভাষা সংস্কৃতি

রাইপুর ইউনিয়ন টি প্রাক্তন নদীয়া জেলার অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী একটি ইউনিয়ন। রাইপুর ইউনিয়ন অবিভক্ত বাংলার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের অন্যতম ইউনিয়ন ছিল।

 রাইপুর ইউনিয়ন বাসীর ভাষা :

এই ইউনিয়ন টি বৃহত্তম কুাষ্টিয়ার বর্তমানে মেহেরপুর জেলার একেবারে পুর্বে অবস্থিত।

এখানকার মানুষেরা সাধু ও চলিত ভাষায় কথা বলে। আাঞ্চলিক ভাষায় নেই বল্লেই চলে।

আমরা সাধারনত বই পুক্তকে যে ভাষা পড়ে থাকি এখানকার মানুষেরা এই ভাষায় কথাবলে।

 

রাইপুর ইউনিয়নের  সংস্কৃতিঃ

রাইপুর ইউনিয়ন নদীয়া জেলার প্রাচীন জনপদ হওয়ায় এখানে লোকসংস্কৃতি বা গ্রামীণ সংস্কৃতি বিভিন্নভাবে চর্চার মাধ্যমে ঐতিহ্যে রূপান্তরিত হয়েছিল। বাঙালীর সমাজ জীবনে নানা উৎসব আয়োজনে নানা ধরণের গীত, কবিগান, ভাবগান, পুঁথিপাঠ, মেঠো গান, মনসার গান, ভাসান বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

) বাউলগীতিঃ

বৃহত্তর কুষ্টিয়ার অঞ্চল হিসেবে রাইপুর ইউনিয়নে কুষ্টিয়ার বাউল সম্রাট লালন শাহের প্রভাবে শত শত বাউল অনুরাগী ও বাউল শিল্পীর সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা মানবধর্মের কথা বলেন এবং দেহতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করেন। বাউলগণ দেহতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও মরমী গানের মাধ্যমে মানুষকে অতিন্দ্রীয়লোকে বিচরণ করাতে সক্ষম হন।

আর কিছু দিন রাখবো ঘরে ধুলো খেলা দিয়ে।’’

 

 (4) জারী গানঃ

জারীগান মূলতঃ  ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে সৃষ্টি। রাইপুর ইউনিয়ন অঞ্চলে প্রবীন কিছু গায়করা দলবদ্ধ হয়ে বাড়ী বাড়ী জারীগান গেয়ে বেড়ায়।

 

)পালা বা যাত্রাগানঃ

রাইপুর ইউনিয়নে সর্বত্র এখনও  পালা বা যাত্রাগান অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি লোকসংস্কৃতি হিসেবে বিদ্যমান। রূপবানযাত্রা, ভাসানযাত্রা, ইমামযাত্রা, আসমান সিংহের পালাগান উলেস্নখযোগ্য। শীতকালের পুরো

 

এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেলা্। এর মদ্ধে হাডুডু, লাঠিখেলা, লাড়কি খেলা বিষেশ ভাবে উল্লেখ যোগ্য।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter